ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাসন শেষে ভেনেজুয়েলায় ফিরলেন মাচাদো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৫৯ মিনিট আগে
নির্বাসন শেষে ভেনেজুয়েলায় ফিরলেন মাচাদো
প্রায় এক বছর নির্বাসনে থাকার পর রোববার আকস্মিকভাবে নিজ দেশে ফিরেছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে উচ্ছ্বসিত জনতার ঢল নামে।

দেশে ফিইে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মাচাদো রাজধানী কারাকাসের দিকে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে যাওয়ার সময় মহাসড়ক, টোল প্লাজা ও শহরের সড়কগুলোতে হাজার হাজার মানুষ ভেনেজুয়েলার পতাকা হাতে জড়ো হন। এ সময় তারা ‘স্বাধীনতা’ স্লোগান দেন।

গুয়াকারায় এএফপির সাংবাদিকেরা দেখতে পান, একটি জনাকীর্ণ চত্বরে সমর্থকদের সঙ্গে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলাচ্ছেন মাচাদো। সেখানে উপস্থিত লোকজন পতাকা হাতে তার প্রত্যাবর্তন উদ্যাপন করেন।

নিজের পরিচিত সাদা টি-শার্ট ও নীল জিনস পরা মাচাদো একটি গাড়ির ছাদে থাকা সানরুফ দিয়ে শরীরের ওপরের অংশ বের করে জনতার উদ্দেশে হাত নাড়েন।

এ সময় এক নারী চিৎকার করে বলেন, ‘মারিয়া, আপনি যদি দেশে ফিরতে পারেন, তাহলে আমার মেয়েকেও দেশে ফিরতে হবে!’ 

তিনি তার মেয়ের কথা উল্লেখ করে এ কথা বলেন। তার এ বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল সেই লাখ লাখ ভেনেজুয়েলীয়ের প্রতি, যারা দমন-পীড়ন ও বিপর্যস্ত অর্থনীতির কারণে দেশ ছেড়েছেন।

মাচাদোর প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে প্রভাবশালী এই বিরোধী নেত্রী আবারও দেশটির অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এলেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণের জন্য তিনি গোপনে দেশ ছাড়েন। এর আগে প্রায় এক বছর আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।

দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, এরপর ভেনেজুয়েলায় ফেরার অন্তত সাতটি চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল ৫৯ বছর বয়সী এই নেত্রীর।

অবশেষে রোববার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বারকিসিমেতোর সান্তা রোসা গির্জায় তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়। 

সেখানে সমর্থকেরা ‘মারিয়া কোরিনা দীর্ঘজীবী হোন’ স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান।


কমেন্ট বক্স